দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্বল্প সময়ে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে প্রায় ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. মাসুম রানা (৩৮) ও মো. শামীম আক্তার (৩৬)। তারা দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা।
সিআইডি জানায়, নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মরত সালেহ আহাম্মদ খান একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে প্রতারক চক্রের সঙ্গে পরিচিত হন। প্রতারকরা “ড্রিমপায়ারিং এমসিএস লি.” নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের পরিচয় দিয়ে তাকে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করে এবং ভুয়া চুক্তিপত্র পাঠায়।
পরবর্তীতে সরল বিশ্বাসে ভুক্তভোগী নিজের সঞ্চয়, অফিসের অর্থ এবং স্ত্রীর স্বর্ণ বন্ধক রেখে নগদ, বিকাশ ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে মোট ৮৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা প্রদান করেন। বিনিময়ে মাসিক উচ্চ মুনাফার আশ্বাস দেওয়া হলেও প্রতারকরা পুরো অর্থ আত্মসাৎ করে।
অর্থ দেওয়ার পর যোগাযোগ করলে প্রতারকরা তাকে বিভিন্ন স্থানে যেতে বলে বিভ্রান্ত করে। একপর্যায়ে ঢাকার সেগুনবাগিচায় দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে তিনি বুঝতে পারেন, প্রতিষ্ঠানটির কোনো অস্তিত্ব নেই।
এ ঘটনায় তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা করেন (ধারা ৪০৬/৪২০, পেনাল কোড)।
মামলার পর সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস ইউনিট তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে দিনাজপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে গত ৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিরামপুরের কাটলাহাট এলাকার একটি ফার্মেসি থেকে মাসুম রানাকে এবং ৯ এপ্রিল রাতের দিকে তার নিজ বাড়ি থেকে শামীম আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানায় সিআইডি। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং প্রতারক চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জে আই